Examirox

🎯 নতুন ব্যাচ শুরু হচ্ছে — এখনই নিবন্ধন করো →

প্রশ্ন: কোনো কিছু ব্যাখ্যার জন্য যে আনুষ্ঠানিক চিন্তা ধারা তাকে বলে-

(ক) স্বীকার্য
(খ) তত্ত্ব
(গ) অনুকল্প
(ঘ) সূত্র
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কোনো ঘটনা বা বিষয়কে সুশৃঙ্খলভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক চিন্তাধারাই হলো তত্ত্ব বা Theory। [ বি.দ্র:] ইসহাক স্যারের বইয়ে এই প্রশ্নের উত্তর (c) দেওয়া। কিন্তু তপন স্যারের বইয়ে সঠিক উত্তর (b) দেওয়া রয়েছে।

প্রশ্ন: সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট শর্তে সব সময় কী ঘটবে তার বর্ণনাকে কী বলে?

(ক) নীতি
(খ) সূত্র
(গ) ধারণা
(ঘ) অনুকল্প
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
একটি নির্দিষ্ট শর্তের অধীনে প্রকৃতিতে সবসময় কী ঘটবে, তার গাণিতিক বা বর্ণনামূলক রূপই হলো সূত্র (Law)। যেমন- নিউটনের গতির সূত্র। [বি.দ্র:] ইসহাক স্যারের বইয়ে এই প্রশ্নের উত্তর (a) দেওয়া। কিন্তু তপন স্যারের বইয়ে সঠিক উত্তর (b) দেওয়া রয়েছে।

প্রশ্ন: গাণিতিক বা যৌক্তিক বিবৃতি যা ভৌত আচরণসমূহের প্রায়োগিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গঠিত হয়-

(ক) তত্ত্ব
(খ) নীতি
(গ) সূত্র
(ঘ) অনুকল্প
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
বিজ্ঞানে নীতি (Principle) বলতে এমন যৌক্তিক বিবৃতিকে বোঝায় যা বিভিন্ন ভৌত আচরণের প্রায়োগিক পর্যবেক্ষণ থেকে গঠিত এবং যা অন্যান্য বৈজ্ঞানিক সূত্র প্রতিষ্ঠায় ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

প্রশ্ন: পরীক্ষিত, সর্বজনস্বীকৃত, সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে হয়-

(ক) স্বীকার্য
(খ) সূত্র
(গ) তত্ত্ব
(ঘ) ধারণা
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
সূত্র (Law) হলো প্রকৃতির এমন একটি নিয়ম যা নির্দিষ্ট শর্তে সর্বদা এবং সব ক্ষেত্রে একই ফলাফল দেয় এবং এটি পরীক্ষিত ও সর্বজনস্বীকৃত সত্য।

প্রশ্ন: "দুটি রেখা আলাদাভাবে তৃতীয় একটি রেখার সমান হলে প্রথমোক্ত রেখাদ্বয় পরস্পর সমান।" এটি কীসের অন্তর্গত-

(ক) অনুকল্প
(খ) তত্ত্ব
(গ) সূত্র
(ঘ) স্বীকার্য
সঠিক উত্তর: (ঘ)
ব্যাখ্যা:
এটি জ্যামিতির একটি স্বতঃসিদ্ধ বা স্বীকার্য (Postulate), যা প্রমাণের প্রয়োজন ছাড়াই পরম সত্য বলে মেনে নেওয়া হয়।

প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক ঘটনার অনুমিত ব্যাখ্যা যা এখনো প্রমাণিত হয়নি-

(ক) তত্ত্ব
(খ) ধারণা
(গ) অনুকল্প
(ঘ) নীতি
সঠিক উত্তর: (গ)
ব্যাখ্যা:
অনুকল্প (Hypothesis) হলো ঘটনার প্রাথমিক অনুমান, যা সত্য হতে পারে আবার নাও হতে পারে, কারণ এটি তখনও পরীক্ষা দ্বারা সম্পূর্ণভাবে প্রমাণিত নয়।

প্রশ্ন: প্রকৃতিকে সবচেয়ে সার্থকভাবে ব্যাখ্যা করা যায় কোনটি দ্বারা?

(ক) Law
(খ) Posltulate
(গ) Theory
(ঘ) Hypothesis
সঠিক উত্তর: (গ)
ব্যাখ্যা:
তত্ত্ব (Theory) হলো প্রমাণিত অনুকল্প যা দ্বারা প্রকৃতির বিভিন্ন ঘটনাকে বিস্তারিত, বিস্তৃত এবং সবচেয়ে সার্থকভাবে ব্যাখ্যা করা যায়।

প্রশ্ন: গ্যাসের অণুসমূহের গতি সম্পর্কে কিছু ধারণাকে সত্য হিসেবে ধরে নিয়ে গ্যাসের আচরণ ব্যাখ্যা করা-

(ক) স্বীকার্য
(খ) নীতি
(গ) সূত্র
(ঘ) অনুকল্প
সঠিক উত্তর: (ক)
ব্যাখ্যা:
বিনা প্রমাণে কোনো কিছুকে সত্য বলে ধরে নেওয়াকে স্বীকার্য (Postulate) বলে। গ্যাসের গতিতত্ত্বে অণুগুলোর গতি সম্পর্কে এরকম কিছু প্রাথমিক শর্ত বা স্বীকার্য ধরে নেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন: প্রাকৃতিক সত্য সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করা যায় কোনটি দ্বারা?

(ক) Concept
(খ) Theory
(গ) Principle
(ঘ) Postulate
সঠিক উত্তর: (গ)
ব্যাখ্যা:
প্রকৃতির সাধারণ সত্যগুলো নীতির (Principle) সাহায্যে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা যায়। নীতি হলো প্রাকৃতিক সত্যের এমন একটি আদর্শ রূপ যা দিয়ে অন্যান্য ঘটনা বিচার করা হয়।

প্রশ্ন: কোনটি পর্যবেক্ষিত ঘটনার প্রাথমিক ব্যাখ্যা প্রদান করে?

(ক) ধারণা
(খ) অনুকল্প
(গ) তত্ত্ব
(ঘ) সূত্র
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
কোনো বৈজ্ঞানিক ঘটনা পর্যবেক্ষণের পর তার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে যে অনুমান বা সাময়িক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তাকে অনুকল্প (Hypothesis) বলে।

প্রশ্ন: কোনটি সত্য?

(ক) সকল অনুকল্প তত্ত্ব নয়
(খ) সকল অনুকল্প সূত্র
(গ) সকল সূত্র অনুকল্প নয়
(ঘ) সকল তত্ত্ব অনুকল্প নয়
সঠিক উত্তর: (ক)
ব্যাখ্যা:
যেকোনো প্রাথমিক অনুমানই অনুকল্প। কিন্তু অনুকল্প তখনই তত্ত্ব হয় যখন তা প্রমাণিত হয়। তাই প্রমাণিত না হলে অনুকল্প তত্ত্ব হতে পারে গঠন, অর্থাৎ সকল অনুকল্প তত্ত্ব নয়।

প্রশ্ন: "তাপ এক প্রকার শক্তি" -এটি একটি-

(ক) নীতি
(খ) অনুকল্প
(গ) ধারণা
(ঘ) তত্ত্ব
সঠিক উত্তর: (গ)
ব্যাখ্যা:
তাপ যে কাজ করার সামর্থ্য রাখে এবং এটি যে শক্তির একটি রূপ, এই প্রাথমিক বোধগম্যতা বা উপলব্ধিই হলো একটি বৈজ্ঞানিক ধারণা (Concept)।

প্রশ্ন: স্বীকার্য কী?

(ক) গাণিতিক যুক্তি
(খ) তত্ত্বের ভিত্তি প্রদানকারী
(গ) বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত
(ঘ) পরীক্ষণের সার-সংক্ষেপ
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
যেসব বিবৃতিকে বিনা প্রমাণে সত্য বলে ধরে নেওয়া হয় এবং যেগুলো অন্যান্য তত্ত্ব বা গাণিতিক প্রমাণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে, তাদের স্বীকার্য (Postulate) বলে।

প্রশ্ন: সনাতনী বলবিদ্যায় কোন দুটিকে ধ্রুব ধরা হয়?

(ক) স্থান ও কাল
(খ) স্থান ও দ্রুতি
(গ) দ্রুতি ও কাল
(ঘ) স্থান ও ত্বরণ
সঠিক উত্তর: (ক)
ব্যাখ্যা:
নিউটনীয় বা সনাতনী বলবিদ্যায় (Classical Mechanics) স্থান (Space), কাল (Time) এবং ভর (Mass)-কে পরম বা ধ্রুব ধরা হয়। আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্বে এসে এগুলোকে আপেক্ষিক প্রমাণ করা হয়।

প্রশ্ন: কোনো কিছু সম্পর্কে সঠিক উপলব্ধি বা বোধগম্যতাকে কী বলে?

(ক) ধারণা
(খ) সূত্র
(গ) নীতি
(ঘ) তত্ত্ব
সঠিক উত্তর: (ক)
ব্যাখ্যা:
কোনো বৈজ্ঞানিক বিষয় সম্পর্কে আমাদের মনের যে প্রতিচ্ছবি বা সঠিক উপলব্ধি তৈরি হয়, তাকেই ধারণা বা Concept বলে।

প্রশ্ন: পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তির সাধারণ সূত্রগুলোকে কী বলা হয়?

(ক) নীতি
(খ) ধারণা
(গ) অনুমিতি
(ঘ) স্বীকার্য
সঠিক উত্তর: (ক)
ব্যাখ্যা:
বিজ্ঞানের যেসব সাধারণ সূত্র বা প্রাকৃতিক সত্য অসংখ্য ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে পারে এবং যার সাহায্যে অন্যান্য বিষয় প্রমাণের ভিত্তি তৈরি হয়, তাদের নীতি বা Principle বলে।

প্রশ্ন: পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত অনুকল্পকে বলে-

(ক) নীতি
(খ) স্বীকার্য
(গ) সূত্র
(ঘ) তত্ত্ব
সঠিক উত্তর: (ঘ)
ব্যাখ্যা:
কোনো ঘটনা পর্যবেক্ষণের পর তার কারণ হিসেবে যে প্রাথমিক অনুমান করা হয় তাকে অনুকল্প (Hypothesis) বলে। এই অনুকল্প যখন দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয় এবং বিজ্ঞানীরা তা গ্রহণ করেন, তখন তা তত্ত্বে (Theory) পরিণত হয়।

প্রশ্ন: একটি আদর্শ বা যুক্তিপূর্ণ আচরণ ভিত্তি যার সাপেক্ষে অন্যান্য বিষয় তুলনা, বিচার বিশ্লেষণ ও পরিমাপ করা হয় তাকে কী বলে?

(ক) সূত্র
(খ) নীতি
(গ) অনুকল্প
(ঘ) স্বীকার্য
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
বিজ্ঞানের যেসব সাধারণ সূত্র বা প্রাকৃতিক সত্য রয়েছে তাকে নীতি (Principle) বলে। এটি এমন একটি আদর্শ বা যুক্তিপূর্ণ আচরণ যার সাপেক্ষে অন্যান্য বিষয়ের তুলনা বা বিশ্লেষণ করা হয়।

প্রশ্ন: তত্ত্ব কী বিষয়ের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে?

(ক) নীতি
(খ) অনুকল্প
(গ) অনুমিতি
(ঘ) পদ্ধতি
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
কোনো ঘটনা পর্যবেক্ষণের পর তার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে যে অনুমিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাকে অনুকল্প (Hypothesis) বলে। এই অনুকল্প যখন দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়, তখন তা তত্ত্বে (Theory) পরিণত হয়। অর্থাৎ, তত্ত্ব অনুকল্পের উপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে।

প্রশ্ন: স্বতঃসিদ্ধ বা স্বীকার্য কী?

(ক) গাণিতিক যুক্তি
(খ) কোনো ধারণা বা তত্ত্ব
(গ) বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত
(ঘ) পরীক্ষণের সার-সংক্ষেপ
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
স্বতঃসিদ্ধ বা স্বীকার্য হলো এমন কোনো প্রাথমিক ধারণা বা তত্ত্ব, যা প্রমাণের প্রয়োজন ছাড়াই সত্য বলে মেনে নেওয়া হয় এবং যা অন্যান্য বিষয় প্রমাণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

প্রশ্ন: বিনা প্রমাণে কোন কিছু মেনে নেওয়াকে বলে-

(ক) ধারণা
(খ) স্বীকার্য
(গ) নীতি
(ঘ) তত্ত্ব
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বা গাণিতিক প্রমাণের ক্ষেত্রে বিনা প্রমাণে কোনো কিছু মেনে নিয়ে যে যুক্তি বা বিবৃতি প্রদান করা হয়, তাকে স্বীকার্য (Postulate) বলে। এটি তত্ত্বের ভিত্তি প্রদান করে।

প্রশ্ন: নিউক্লিয় পারমাণবিক চুল্লিতে-

(ক) ফিউশন মিথস্ক্রিয়া হয়
(খ) ফিশন মিথস্ক্রিয়া হয়
(গ) যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহৃত হয়
(ঘ) পারমাণবিক বোমা বানানো হয়
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
নিউক্লিয় পারমাণবিক চুল্লিতে (Nuclear Reactor) নিয়ন্ত্রিতভাবে ফিশন (Fission) মিথস্ক্রিয়া বা চেইন বিক্রিয়া ঘটিয়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করা হয়, যা সাধারণত বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগে।

প্রশ্ন: কোনটি সঠিক নয়?

(ক) বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র-ব্যারোমিটার
(খ) উষ্ণতা মাপার যন্ত্র-থার্মোমিটার
(গ) জলীয় বাষ্প মাপার যন্ত্র-হাইড্রোমিটার
(ঘ) পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভাঙার যন্ত্র-রিঅ্যাক্টর
সঠিক উত্তর: (গ)
ব্যাখ্যা:
বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আর্দ্রতা মাপার জন্য আমরা হাইগ্রোমিটার (Hygrometer) নামক যন্ত্র ব্যবহার করি। আর হাইড্রোমিটার (Hydrometer) দিয়ে তরলের ঘনত্ব মাপা হয়।

প্রশ্ন: তরল পদার্থের বিশেষ ধর্ম কোনটি?

(ক) ওজন
(খ) বিস্তৃতি
(গ) সান্দ্রতা
(ঘ) ভঙ্গুরতা
সঠিক উত্তর: (গ)
ব্যাখ্যা:
পদার্থের বিশেষ ধর্ম হলো সেই ধর্ম যা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট অবস্থার পদার্থের থাকে। যেমন- সান্দ্রতা (Viscosity) ও পৃষ্ঠটান হলো তরল পদার্থের বিশেষ ধর্ম। অন্যদিকে ভঙ্গুরতা কঠিন পদার্থের বিশেষ ধর্ম এবং ওজন ও বিস্তৃতি সকল পদার্থের সাধারণ ধর্ম।

প্রশ্ন: পদার্থের সাধারণ ধর্ম নয় কোনটি?

(ক) ওজন
(খ) বিস্তৃতি
(গ) দৃঢ়তা
(ঘ) রোধ
সঠিক উত্তর: (গ)
ব্যাখ্যা:
যে ধর্ম সকল পদার্থেরই কম-বেশি রয়েছে তাকে পদার্থের সাধারণ ধর্ম বলে। যেমন- ওজন, বিস্তৃতি, রোধ, স্থিতিস্থাপকতা ইত্যাদি। কিন্তু 'দৃঢ়তা' কেবল কঠিন পদার্থের একটি বিশেষ ধর্ম, সকল পদার্থের নয়।

প্রশ্ন: ভৌত জগৎ কতটি উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি?

(ক) 1
(খ) 2
(গ) 3
(ঘ) 4
সঠিক উত্তর: (ঘ)
ব্যাখ্যা:
ভৌত জগতের উপাদান মোট ৪টি। যথা: ১. স্থান, ২. কাল, ৩. ভর এবং ৪. শক্তি।

প্রশ্ন: উন্নত প্রজাতির বীজ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়?

(ক) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
(খ) মাইক্রোবায়োলজি
(গ) এক্স-রে
(ঘ) রাসায়নিক সার
সঠিক উত্তর: (ক)
ব্যাখ্যা:
কৃষিক্ষেত্রে উন্নত প্রজাতির বীজ উৎপাদন এবং সংরক্ষণে বিভিন্ন ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করে মিউটেশন ঘটানো হয়।

প্রশ্ন: কোন দুটি ভৌত জগতের উপাদান?

(ক) সময় ও ত্বরণ
(খ) ভর ও স্থান
(গ) স্থান ও বেগ
(ঘ) ভর ও তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
ভৌত জগত মূলত ৪টি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো: ১. স্থান (Space), ২. কাল বা সময় (Time), ৩. ভর (Mass) এবং ৪. শক্তি (Energy)। তাই ভর ও স্থান হলো ভৌত জগতের উপাদান।

প্রশ্ন: নিচের কোনটিতে পদার্থবিদ্যা লব্ধ জ্ঞান চিকিৎসা বিদ্যায় প্রয়োগ করা হয় না?

(ক) Biometric attendance
(খ) X-ray
(গ) Magnetic Resonance Imaging
(ঘ) Ultrasound
সঠিক উত্তর: (ক)
ব্যাখ্যা:
X-ray, MRI এবং Ultrasound হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত পদার্থবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। অন্যদিকে, Biometric attendance হলো আঙুলের ছাপ বা চেহারা শনাক্তকরণের মাধ্যমে হাজিরা নেওয়ার প্রযুক্তি, যা চিকিৎসাবিদ্যায় প্রয়োগ করা হয় না।

প্রশ্ন: পদার্থবিদ্যার আওতায় আসে না কোনটি?

(ক) Astronomy
(খ) Anthropometry
(গ) Electromagnetism
(ঘ) Thermodynamics
সঠিক উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা:
পদার্থবিজ্ঞানের প্রধান শাখাগুলোর মধ্যে জ্যোতির্বিদ্যা, তড়িৎচৌম্বক বিজ্ঞান এবং তাপগতিবিদ্যা অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু Anthropometry (নৃতত্ত্বমিতি) হলো মানুষের শারীরিক মাপজোখ সম্পর্কিত বিজ্ঞান, যা জীববিজ্ঞানের বা নৃবিজ্ঞানের আওতাভুক্ত।
Scroll to Top